ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিদায় লিওনেল মেসি, শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনা জিতলো ৩-০ গোলে Logo মায়ের কসম, মেসির জার্সি নিয়েই ফিরব: বেনিন ডিফেন্ডার Logo দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী Logo ইরানকে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি ট্রাম্পের Logo আনসারের পৃথক তিন আইন একীভূত করে একটি আইন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo পদত্যাগ করছেন এমপি ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টি Logo তারেক রহমানের ভারত সফর হবে, তবে তারিখ ঠিক হয়নি: দীনেশ ত্রিবেদী Logo কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাইল বিএফআইইউ Logo এবার দুর্গাপূজায় ৫ দিন ছুটি, মণ্ডপে ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অনিবন্ধিত অনলাইন ও নিউজ পেজের বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে অনুকূল পরিবেশ তৈরির অপেক্ষায় বাংলাদেশ-

নিজস্ব সংবাদ :

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের আগে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে নয়াদিল্লির প্রতি বাংলাদেশের পক্ষে আহ্বান জানানো হয়েছে। এ সময় শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়া ও ওসমান হাদির হত্যায় অভিযুক্তদের প্রত্যর্পণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আজ রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও জনকূটনীতি অনুবিভাগের অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব একেএম শহীদুল করিম সাংবাদিকদের এ কথা জানান। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ভারতে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, শরীফ ওসমান হাদি হত্যায় জড়িতদেরসহ পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণ ও অনুকূল পরিবেশ তৈরির জন্য অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশ।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারতে একটি দ্বিপক্ষীয় সফরের সম্ভাবনা নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তবে গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য মতবিনিময়ের ফলে এই প্রক্রিয়াটি বিঘ্নিত হয়েছে, যিনি মানবতাবিরোধী অপরাধ করার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আমরা এই বিষয়ে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি।

শহীদুল করিম বলেন, আমরা মনে করি যে এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে আমরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের প্রত্যর্পণের আমাদের অনুরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে এবং আমাদের দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শহীদ শরীফ উসমান হাদির অভিযুক্ত খুনিদের বাংলাদেশের হাতে তুলে দিতে। আমরা তাদের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছি।

তিনি আরো বলেন, আমরা পুনরায় বলছি, আমরা সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে আমাদের প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে আমাদের ‌‌‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে যাব।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০১:৩৬:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
২২ বার পড়া হয়েছে

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে অনুকূল পরিবেশ তৈরির অপেক্ষায় বাংলাদেশ-

আপডেট সময় ০১:৩৬:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের আগে সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে নয়াদিল্লির প্রতি বাংলাদেশের পক্ষে আহ্বান জানানো হয়েছে। এ সময় শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়া ও ওসমান হাদির হত্যায় অভিযুক্তদের প্রত্যর্পণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আজ রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও জনকূটনীতি অনুবিভাগের অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব একেএম শহীদুল করিম সাংবাদিকদের এ কথা জানান। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ভারতে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ, শরীফ ওসমান হাদি হত্যায় জড়িতদেরসহ পলাতক আসামিদের প্রত্যর্পণ ও অনুকূল পরিবেশ তৈরির জন্য অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশ।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারতে একটি দ্বিপক্ষীয় সফরের সম্ভাবনা নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। তবে গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য মতবিনিময়ের ফলে এই প্রক্রিয়াটি বিঘ্নিত হয়েছে, যিনি মানবতাবিরোধী অপরাধ করার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। আমরা এই বিষয়ে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি।

শহীদুল করিম বলেন, আমরা মনে করি যে এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। এই লক্ষ্যে আমরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের প্রত্যর্পণের আমাদের অনুরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে এবং আমাদের দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শহীদ শরীফ উসমান হাদির অভিযুক্ত খুনিদের বাংলাদেশের হাতে তুলে দিতে। আমরা তাদের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছি।

তিনি আরো বলেন, আমরা পুনরায় বলছি, আমরা সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে আমাদের প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে আমাদের ‌‌‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে যাব।