ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
Logo বিদায় লিওনেল মেসি, শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনা জিতলো ৩-০ গোলে Logo মায়ের কসম, মেসির জার্সি নিয়েই ফিরব: বেনিন ডিফেন্ডার Logo দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী Logo ইরানকে ‘উড়িয়ে দেওয়ার’ হুমকি ট্রাম্পের Logo আনসারের পৃথক তিন আইন একীভূত করে একটি আইন হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo পদত্যাগ করছেন এমপি ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টি Logo তারেক রহমানের ভারত সফর হবে, তবে তারিখ ঠিক হয়নি: দীনেশ ত্রিবেদী Logo কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাবের তথ্য চাইল বিএফআইইউ Logo এবার দুর্গাপূজায় ৫ দিন ছুটি, মণ্ডপে ২৪ ঘণ্টা মনিটরিং : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Logo অনিবন্ধিত অনলাইন ও নিউজ পেজের বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে কেপিআই ঘোষণা

স্টাফ রিপোর্টার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজধানীর গুলশানের বাসভবনকে বিশেষ শ্রেণির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে বাসভবনটি সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় এসেছে। ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ৭ জুন কেপিআই-সংক্রান্ত কমিটির (কেপিআইডিসি) মাসিক সভায় গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনকে বিশেষ শ্রেণির কেপিআই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়। পরে সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে ১৫ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। গত শুক্রবার (৩ জুলাই) এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবন থেকেই সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা সরকারি কাজে প্রস্তুত থাকলেও তিনি সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন না।

এই বাসভবনের মালিকানা প্রসঙ্গে জানা যায়, গত বছরের ৫ জুন অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার হাতে বাড়িটির নামজারির কাগজ হস্তান্তর করে। ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর গুলশানে প্রায় দেড় বিঘা জমির ওপর নির্মিত বাড়িটি খালেদা জিয়ার নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। পরে নামজারি সম্পন্ন হওয়ার পর বাড়িটি সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হয়।

গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর তারেক রহমান ওই বাসভবনে ওঠেন। পরে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরও তিনি সেখান থেকেই রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছেন।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বাসভবনের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এতে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সমন্বয়ে পৃথক নিরাপত্তা কাঠামো গঠন করা হবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষিত পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেপিআই ঘোষিত স্থাপনার চারপাশে নিরাপত্তা বলয় আরও কঠোর করা হবে। সীমানাপ্রাচীরের উচ্চতা বৃদ্ধি, কাঁটাতারের অতিরিক্ত স্তর সংযোজন, এবং আশপাশের উঁচু ভবন থেকে নজরদারি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া ১৫০ থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে নতুন উঁচু ভবন নির্মাণে অনুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং ২৫ মিটারের মধ্যে কোনো স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধ থাকবে। নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় বিদ্যমান কিছু অবকাঠামো ও গাছপালা অপসারণের ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।

সরকারি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, তথ্য ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপডেট সময় ০২:৩৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
১৭ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনকে কেপিআই ঘোষণা

আপডেট সময় ০২:৩৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজধানীর গুলশানের বাসভবনকে বিশেষ শ্রেণির গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) হিসেবে ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে বাসভবনটি সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় এসেছে। ইতোমধ্যে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ৭ জুন কেপিআই-সংক্রান্ত কমিটির (কেপিআইডিসি) মাসিক সভায় গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনকে বিশেষ শ্রেণির কেপিআই হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়। পরে সরকারের অনুমোদনের ভিত্তিতে ১৫ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। গত শুক্রবার (৩ জুলাই) এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবন থেকেই সরকারি কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা সরকারি কাজে প্রস্তুত থাকলেও তিনি সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন না।

এই বাসভবনের মালিকানা প্রসঙ্গে জানা যায়, গত বছরের ৫ জুন অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার হাতে বাড়িটির নামজারির কাগজ হস্তান্তর করে। ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর গুলশানে প্রায় দেড় বিঘা জমির ওপর নির্মিত বাড়িটি খালেদা জিয়ার নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। পরে নামজারি সম্পন্ন হওয়ার পর বাড়িটি সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হয়।

গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরার পর তারেক রহমান ওই বাসভবনে ওঠেন। পরে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পরও তিনি সেখান থেকেই রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছেন।

নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বাসভবনের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। এতে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের সমন্বয়ে পৃথক নিরাপত্তা কাঠামো গঠন করা হবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষিত পুলিশ সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কেপিআই ঘোষিত স্থাপনার চারপাশে নিরাপত্তা বলয় আরও কঠোর করা হবে। সীমানাপ্রাচীরের উচ্চতা বৃদ্ধি, কাঁটাতারের অতিরিক্ত স্তর সংযোজন, এবং আশপাশের উঁচু ভবন থেকে নজরদারি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া ১৫০ থেকে ৩০০ মিটারের মধ্যে নতুন উঁচু ভবন নির্মাণে অনুমতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং ২৫ মিটারের মধ্যে কোনো স্থাপনা নির্মাণ নিষিদ্ধ থাকবে। নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় বিদ্যমান কিছু অবকাঠামো ও গাছপালা অপসারণের ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।

সরকারি সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, তথ্য ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।